Tuesday, September 20, 2016

নতুন একটা সাইট খুব ভাল আয় হয় পেমেন্ট দিয়ে আসতেছে কাজ করতে পারেন। Withdraw : $ 2 Ref commission : 200% per click : 0.01 $ Payment : Perfect Money, Payza, Payeer, Bitcoin Daily ad : $0.16 adpack আছে ৭ দিনে ১৮০% দেই। আমি সবাই বলব না invest করতে সুধু ptc দিয়ে আয় হবে। যারা এখনো জইন করেনি তারা তারাতারি অ্যাকাউন্ট করে কাজ শুরু করে দিন। http://neobuxadpack.com/?ref=Robiulkorim

Monday, August 1, 2016

অাপনারা যারা অনলাইনে ইনকাম 
করতে চান শুধু তাদের জন্য

অনলাইনে আয় নিয়ে আগ্রহের শেষ
নেই। অনেকে এখন পিসা হিসাবে নিচ্ছে বিশেষ করে তরুণদের মাঝে এ
নিয়ে যেন উৎকণ্ঠা বেড়েই চলেছে।
কিন্তু সমস্যা বাধে এ নিয়ে তেমন
কোন ধারাবাহিক বা সঠিক তথ্য
সম্বলিত কোন পোস্ট বা বই পাওয়া যায়
না বললেই চলে। আর তাই, শুরুতেই অনেক
কষ্ট করতে হয় এই পেশায় নবাগতদের। এমন
সমস্যায় যদি আপনিও পড়ে থাকেন
তাহলে আজকের লিখাটি
বিশেষভাবে আপনার জন্যই তৈরি।
এখানে আপনি অনলাইনে আয়ের
বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে অতি
সংক্ষেপে কিন্তু ভালভাবে জানতে
পারবেন। এর পাশাপাশি আপনি
কিভাবে সামনের দিকে এগুবেন
সেটিও জানতে পারবেন। তাহলে চলুন
কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।
আচ্ছা অনলাইনে কি সত্যিই আয়
করা যায়? নাকি পুরোটাই ভূয়া?
অনলাইন হচ্ছে এমন একটি প্লাটফর্ম
যেখানে সঠিক রাস্তায় হাটলে অবশ্যই
আয় করা সম্ভব। এবং
এখানে রয়েছে কাজ করার পূর্ণ
স্বাধীনতা।
ফ্রীল্যান্সিং সংক্রান্ত বিভিন্ন
প্রতিবেদন বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে
বেশ কয়েকবার প্রচারিত হয়েছে। এমন
কিছু প্রতিবেদন দেখতে পারেন
নিচের লিঙ্ক থেকে-
ATN News চ্যানেলে ২ ডিসেম্বর ২০১৪
তে টকশো হয় টিভি তে। দেখুন এই
লিঙ্কে- এখানে ক্লিক করুন।
দেখতে পারেন সময় টিভি তে
প্রচারিত প্রতিবেদন- এখানে ক্লিক
করুন।
দেখুন চ্যানেল ২৪ এ প্রকাশিত
প্রতিবেদন- এখানে ক্লিক করুন।
দেখুন এটিএন নিউজের আরও একটি
প্রতিবেদন- এখানে ক্লিক করুন।
কি বুঝলেন? কিছু বিশ্বাস হল? যদি
ক্লিক করে আয় করে কোটিপতি হওয়ার
স্বপ্ন দেখে থাকেন তাহলে সেটি
ভূলে যান। আর অনলাইনে কাজ করার
জন্য আপনার কোন জামানতের বা
অগ্রীম টাকারও প্রয়োজন হবে না। তবে
প্রয়োজন কঠিন পরিশ্রম এবং দক্ষতা।
তাই অনলাইনে আয় সম্পর্কে সঠিক তথ্য
জানুন, নিজে নিরাপদে থাকুন, সফল
হউন।
তাহলে চলুন শুরু করা যাক-
অনলাইনে আয় কি?
আসলে অনলাইনে আয় বলতে এক কথায়
ইন্টারনেট থেকে টাকা উপার্জনকে
বোঝায়। অনলাইন থেকে আয় করার প্রথম
এবং পূর্ব শর্ত হচ্ছে একটি কম্পিউটার
এবং সচল ইন্টারনেট সংযোগ। এই দুটি
না থাকলে অনলাইন থেকে আয় করা
সম্ভব নয়। এই ক্ষেত্রে কিছু স্পেশাল
কাজ ব্যতীত নরমাল যে কোন
কম্পিউটার দিয়েই এই কাজ গুলো করা
সম্ভব। এর জন্য বিশেষ সুবিধা সম্পন্ন বা
হাই কনফিগারেশনের কোন
কম্পিউটারের প্রয়োজন নেই। তবে,
অতিমাত্রায় লক্কর-ঝক্কর কমিপিউটার
না ব্যবহার করার-ই পরামর্শ রইল আমার।
ইন্টারনেটেই চাকুরি এবং ব্যাবসা!
এবার আসি কাজে? কি কাজ?
নতুনরা প্রায়ই শুনে থাকেন অমুক অই কাজ
করে, আবার আরেকজন অন্য কাজ করে,
তাহলে এই বিভিন্ন কাজ গুলো কি?
ইন্টারনেটকে আমাদের বাস্তব
জীবনের সাথে তুলনা করলে সহজেই
অনলাইনে আয়ের ব্যাপারটা বোঝা
সম্ভব। আমাদের বাস্তব জীবনে আমরা
সাধারণত দুই ভাবে অর্থ উপার্জন করে
থাকি।
ব্যবসা
.চাকুরি

ঠিক তেমনি ইন্টারনেটের ভার্চুয়াল
জগতেও (ভার্চুয়াল জগত হচ্ছে যেটা
ধরা যায় না, বা কম্পিউটার সংক্রান্ত)
আপনি ঠিক দুই ধরনের পদ্ধতিতেই টাকা
আয় করতে পারবেন।
এখানেও রয়েছে ব্যাবসা এবং চাকুরি
উভয়েরই সুযোগ। আর এই চাকরি এবং
ব্যাবসা সংক্রান্ত কাজগুলো সম্পর্কে
নতুনদের মাঝে পরিষ্কার ধারনা
থাকতে হবে। কারন, আপনাকে কাজ
করার পূর্বে অবশ্যই জেনে নিতে হবে
আপনি কি করতে যাচ্ছেন, কেন করতে
যাচ্ছেন। না জেনে যে কোন
সিদ্ধান্ত আপনার ব্যর্থতার বড় কারণ
হয়ে উঠতে পারে। আর তাই চলুন এই দুই
ধরনের আয় সম্পর্কে সংক্ষেপে ধারনা
নেয়ার চেস্টা করি।


Sunday, August 30, 2015

সবচে দামি  ষার
যুবরাজকে ৯ কোটি টাকায়ও বিক্রি
করছেন না তার মালিক। হ্যাঁ, যুবরাজ
কোন রাজার ছেলে নয়। একটি ষাড়ের
নাম ‘যুবরাজ’। ভারতের হরিয়ানার
বংশোদ্ভূত ‘মুররাহ’ জাতের এই
‘যুবরাজকে’ দেখতেই বড় ভিড় জমে এর
চারপাশে। এর ওজন এক হাজার চারশ
কেজি। লম্বায় সে ১৪ ফুট আর উচ্চতা ৫
ফুট ৯ ইঞ্চি। ‘যুবরাজ’ মিরাটস অল
ইন্ডিয়া ক্যাটেল শো-২০১৪
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ১৭
অক্টোবর দশজন পশু বিশেষজ্ঞের মনোনয়ন
পেয়ে ‘যুবরাজ’ এবারের চ্যাম্পিয়ন হয়।
ফলে স্বভাবতই খুশী ‘যুবরাজ’ এর মালিক
কারামভির সিং।
কিন্তু কারামভির সিং যখন
জানালেন, ‘যুবরাজ’কে চন্ডিগড়ের এক
কৃষক প্রায় ৯ কোটি টাকা (৭ কোটি
রুপি) দিয়ে কিনে নিতে
চেয়েছিলেন। তিনি সেই প্রস্তাব
স্রেফ নাকচ করে দিয়েছেন। তখন তো
উপস্থিত জনতার চক্ষু চড়কগাছ!
একটি গরুর দাম নয় কোটি টাকা
পাওয়ার পরও মালিক বিক্রি করেননি?
কেন? আর চন্ডিগড়ের ওই কৃষক-ই বা এত
টাকা দিয়ে কেন ‘যুবরাজকে’ কিনতে
চেয়েছিলেন?
‘যুবরাজের’ মালিক কারামভির সিং
জবাব, ‘সন্তানতুল্য’ এই গরুটি দিয়ে বছরে
তার প্রায় ৫০ লাখ টাকা আয় হয়। আর
সবকিছুই কি জীবনে টাকা দিয়ে
মাপা যায়?
কীভাবে সম্ভব? ‘যুবরাজ’ তো গাভী
না যে দুধ দেবে বা বাচ্চা দেবে।
সেই দুধ বা বাচ্চা বিক্রি করে
কারামভির সিং কাড়িকাড়ি টাকা
কামাবেন। ‘যুবরাজ’ তো ষাঁড়। তার
পক্ষে কীভাবে এত টাকা কামানো
সম্ভব?
জনতা অবাক হলেও কারামভির
সিংয়ের কথায় কিন্তু মোটেই অবাক
হননি সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র
বৈজ্ঞানিক রবীন্দ্রর সাংয়ন।
রবীন্দ্রর ভাষ্যে, ‘মুররাহ’ জাতের প্রকৃত
আদর্শ হচ্ছে এই ‘যুবরাজ’। সে প্রতিদিন
সাড়ে তিন থেকে পাঁচ মিলিলিটার
পর্যন্ত সিমেন (বীর্য) উৎপাদন করতে
পারে। যা দিয়ে সর্বোচ্চ ৩৫
মিলিলিটার পর্যন্ত সিমেন প্রস্তুত করা
যায়। এটি মূলত ‘মুররাহ’ জাতের গরু
তৈরির জন্য কৃত্রিমভাবে ব্যবহার করা
হয়ে থাকে।
‘বর্তমান বাজারে একডোজ অর্থাৎ শুন্য
দশমিক ২৫ মিলিলিটার সিমেনের দাম
দেড় হাজার টাকা। সেই হিসাবে
‘যুবরাজের’ প্রতিদিনের উৎপাদন
ক্ষমতার বাজার মূল্য ২ লাখ ১০ হাজার
রুপি। এছাড়া ‘যুবরাজের’ মা-ও
প্রতিদিন ২৫ লিটার পর্যন্ত দুধ দেয়।’
বৈজ্ঞানিক রবীন্দ্রর বলেন, ফলে
‘যুবরাজের’ মালিক যে দামের কথা
বলেছেন, তাতে আমি মোটেই অবাক
হইনি। কারণ, ‘যুবরাজের’ সিমেনের
একচেটিয়া বাজার আছে ভারতের
দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে।’
‘মুররাহ’ বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত
জাতগুলোর একটি। এটি মূলত হরিয়ানা
রাজ্যের রোথক ও জিন্দ জেলার
প্রাণী। তবে উত্তর প্রদেশের পশ্চিমেও
এর দেখা মেলে।
‘যুবরাজকে’ কেন এবার চ্যাম্পিয়ন
হিসেবে ঘোষণা করা হল? এর জবাবে
মিরাট প্রাণিসম্পদ বিভাগের প্রধান
রাজবীর সিং, যিনি এই
প্রতিযোগিতার একজন বিচারকও,
তিনি বলেন, গরুর মোট ৩০টি
বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে এই
প্রতিযোগিতায় নম্বর দেওয়া হয়।
তারমধ্যে অন্যতম প্রধান হচ্ছে-
অঙ্গসংস্থানগত বৈশিষ্ট্য, সিমেনের
উর্বরতা, বংশানুক্রমিক ইতিহাস, এমনকি
প্রতিযোগির মায়ের দুধের উৎপাদন
ক্ষমতাও এখানে বিবেচ্য।
প্রতিযোগিতায় থারপারকার, ব্রাউন
সুইস, গির, জার্সি প্রভৃতি প্রজাতির গরু
এসেছিলো। সবাইকে টপকেই এবার
জাতীয় চ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় তুলে
নিয়েছে ‘মুররাহ যুবরাজ’।
‘যুবরাজের’ খাবারের তালিকায়
আছে- প্রতিদিন ২০ লিটার দুধ, পাঁচ
কেজি আপেল ও ১৫ কেজি খুবই
উন্নতমানের পশুখাদ্য।
0

উৎসঃ শীর্ষ নিউজ

Thursday, August 27, 2015

কবিতা 
রবিউল করিম
হয়তো তুমি স্মৃতির ভীড়ে একলা কোন
মেঘ
হারিয়ে ফেলার ভয়
হারিয়ে দাঁড়িয়ে নিরুদ্বেগ
হয়তো তুমি হঠাৎ দেখা খুব চেনা এক
তারা
আঙুল গলে লুকিয়ে পড়া শ্রাবণ জলের
ধারা
হয়তো তুমি দূর অতীতের একটু অভিমান
সুখের ঘোরে আনমনা এক বিষণ্নতার গান
হয়তো তুমি সন্ধ্যেবেলার হঠাৎ অন্ধকার
নিছক আশায় শব্দে, ভাষায় মগ্ন ছন্দকার ৷
হয়তো তুমি রবি ঠাকুরের কোন
একটা ছরা
পাহার থেকে নেমে অাসা সচ্ছ ঝন্য
ধারা ৷
হয়তো তুমি স্প্নে অাসা ঘুমের
মধ্যে কেউ
তুমি বোধয় মনের নদির উথাল পাথাল
ঢেউ ৷
হয়তো তুমি গরমের মাঝে একটু সুখের
হ্ওয়া
সুমূেদ্রর তলে ঝিনুেকর মাঝে মুক্ত
খুজে পাওয়া ৷
হয়তো তুমি রাখাল ছেলের
মিষ্টি বাশির
সুর
তুমি বোধয় ধু ধু মরুর দুর বহু দুর ৷
হয়তো তুমি ঠিকানাহীন রঙ্গীন খামের
চিঠি
তুমি বোধয় মাটির উপর
বিছিয়ে রাখা পাটি ৷
হয়তে তুমি অাকাস পােন রংধনুর ওই
খেলা
বষাকালে নদির বুকে পালতো এক
ভেলা ৷
হয়তো তুমি বয়ে চলা নদিটির দুই কুল
তুমি বোধয় ফুল বাগানের
ফুটিয়ে থাকা ফুল

হয়তো তুমি বৈশাখ মাসের কাল
বৈশাখী ঝর
তুমি অামার মেেনর মাঝে ছোট্র
একটি ঘর

হয়তো তুমি নওতো তুমি, তুমি অন্য কেউ
তুমি বোধহয় স্মৃতির
না’য়ে আছড়ে পড়া ঢেউ ৷

১. দিনের পর দিন একটু একটু করে আগের
চেয়ে বেখি দয়ালু এবং জ্ঞানী
হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যান।
২. আপনি এবং আপনার পরিবারকে
আগের চেয়ে একটু বেশি অর্থ সঞ্চয়ের
অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং গড়ে তুলতে
উৎসাহীত করুন।
৩. ভুলবোঝাবুঝি থেকে রেহাই পেতে
মাঝে মধ্যে মহান হওয়ার চেয়ে সব
সময়ের জন্য ভালো মন-মানসিকতা
নিয়ে চলার চেষ্টা করুন।
৪. প্রচুর পড়ুন। কোনো কিছুই খুব দ্রুত
আপনাকে জ্ঞানী করে তোলে না।
৫. যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্ব যতো
এগিয়ে যাবে, আপনার খ্যাতি ততো
গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। কেউ না দেখলেও
সব সময় সোজা পথে কাজটি করুন।
৬. মনে রাখবেন, আপনি যা করার জন্য
অর্থ দেবেন মানুষ তাই করবে। যা করতে
বলবেন তা করবে না।
৭. নিজের সম্পর্কে আগের চেয়ে
ভালো বোধ করলে যেমন ভালো
লাগে, আগের চেয়ে আরেকটু বেশি
বিনয়ী হলে তেমনই ভালো লাগবে।
৮. আপনার যেকোনো প্রশ্নের জবাব
কারো না কারো জানা রয়েছে। ওই
মানুষগুলোকে খুঁজুন।
৯. প্রতিদিনের অসাধ্য চ্যালেঞ্জের
সামনে দাঁড়ানো মানেই আপনার
অহংবোধ ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ।
তবে এতে সামান্য মনযোগ ঢালুন। কারণ
অতিরিক্ত সময় ব্যয় করলে তাতে
নিজের সামর্থ্য কমে যাবে।
১০. প্রযুক্তি মাঝে মাঝে আপনার
কষ্টের কারণ হয়ে উঠবে। অন্য সময় আবার
এটি সাহায্য করবে। তবে বর্তমান সময়ে
কী ঘটবে সে সম্পর্কে সজাগ থাকুন।
১১. যে জিনিসগুলো আর বেশিদিন
কাজে লাগেব না তার প্রতি মায়া
ত্যাগ করুন। এতে অন্যের সাহায্য হবে
এবং এতে আপনারও ভালো লাগবে।১২.
কাউকে অপছন্দ করে মানে এই নয় যে ওই
মানুষটি ভালো নয় বা ভুল পথে চলেন।
১৩. নিজের চিন্তাশীলতার বিষয়ে
ধ্যান দিন। কারণ আপনার চিন্তাই শব্দ
হয়ে বের হবে এবং তা এক সময় আপনার
কাজ হয়ে প্রতিষ্ঠিত হবে।
১৪. কাউকে অন্তত তিনবার সাহায্য না
করা পর্যন্ত তার কাছে থেকে কোনো
সাহায্য চাইবেন না।
১৫. জীবনে যা আশীর্বাদ পেয়েছেন
তা নিয়ে হিসেব করবেন না।
১৬. জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে
সফলতার শর্ত সুস্বাস্থ্যের অধিকারী
হওয়া।
১৭. যতো সহজ-সরলই হোক না কেন,
বুদ্ধিটা সিরিয়াসলি নিন।
১৮. নিজের শক্তি ও সামর্থ্যের একচোট
বিকাশ ঘটানোর পর সেখানেই একটু
স্থিত হোন।
১৯. যে মানুষগুলো চিন্তা করেন না
তারা কিছু শোনেনও না।
২০. আপনার আরো অর্থের প্রয়োজন নেই।
আপনার অর্থপূর্ণ কিছু আরো প