অামার তোমাদের নতুন কিছু দিতে চাইইদানীং ইন্টারনেট ব্যবহার
করে ঘরে বসে সহজে টাকা
উপার্জনের বিষয়টি অনেককে
আকৃষ্ট করেছে। বিভিন্ন
জায়গায় টাকার বিনিময়ে
সভা-সেমিনার হচ্ছে,
বাজারে সিডি বিক্রি হচ্ছে,
দেয়াল পোস্টারে ছেয়ে
গেছে। ধরে নেয়া যায় সহজে
টাকা উপার্জনের কথা আকৃষ্ট
করেছে বহুজনকে। কারণ সম্ভবত
এই প্রচারণায় ব্যবহৃত কয়েকটি
শব্দ। ঘরে বসে, সহজে এবং
টাকা উপার্জন। আসলে সহজে
টাকা উপার্জনের বিষয়টা
কতটা সহজ? কিংবা এর
সম্ভাবনা কতটুকু?
ঘরে বসে টাকা উপার্জন সম্ভব
বলা হয় সারা বিশ্বের বড় বড়
কোম্পানি প্রতিবছর তাদের
প্রচারের জন্য ২৫০ বিলিয়ন
ডলার ব্যয় করে। সেই অর্থের
কিছু অংশ এভাবে আপনার
হাতে আসতেই পারে এবং
ঘরে বসে টাকা উপার্জন সম্ভব।
আপনিও সেটা করতে পারেন।
ঘরে বসে যে পরিমাণ টাকা
উপার্জন করা সম্ভব তা
বাংলাদেশের হিসাবে
অস্বাভাবিক রকমের বেশি।
এক ভদ্রলোক (আমেরিকান)
মাসে ১ লাখ ডলার আয়ের
হিসাব দিয়েছেন।
অর্থ আয়ের শর্তসমূহ
সবচেয়ে বেশি যা আলোচিত
হচ্ছে তা হচ্ছে গুগলের
অফংবহংব এবং অফড়িত্ফং
বিজ্ঞাপন। অর্থাত্ আপনার
ওয়েব সাইটে বিজ্ঞাপনের
লিংক থাকবে, সেখানে
ক্লিক করলে আপনার একাউন্টে
টাকা জমা হবে।
এডসেন্স এবং অ্যাডওয়ার্ড
সম্পর্কে জানিয়ে রাখি।
আপনি নিশ্চয়ই জানেন, গুগল
বিশ্বের সেরা দশ ব্র্যান্ডের
এক কোম্পানি। ইন্টারনেটের
বিজ্ঞাপন বাজারের
অধিকাংশ তার একার দখলে।
তারা যা করে তা হচ্ছে
অন্যদের ওয়েব সাইট ব্যবহার
করে। অর্থাত্ তারা কোনো
কোম্পানির কাছ থেকে
টাকা নেবে তাদের
প্রচারের জন্য। তাদের
বিজ্ঞাপন দেয়া হয় আপনার
ওয়েব সাইটে। কেউ সেই
বিজ্ঞাপন ব্যবহার করলে
আপনিও টাকা পাবেন। অর্থাত্
আপনার হাতে টাকা আসার
কয়েকটি শর্ত রয়েছে। প্রথমত,
আপনার ওয়েব সাইট থাকতে
হবে। সেখানে প্রচুর পরিমাণ
ভিজিটর আসতে হবে। তাদের
বিজ্ঞাপনের লিংকে ক্লিক
করতে হবে (অকারণে ক্লিক
করা যাবে না, কারণ সেটা
যাচাইয়ের ব্যবস্থা আছে)। এই
শর্তগুলো ঠিক থাকলে আপনার
ঘরে টাকা আসতে শুরু করবে। যত
বেশি ক্লিক তত বেশি টাকা।
বিষয় ঠিক করে ভালো মানের
ওয়েবসাইট তৈরি করা
প্রথমে ওয়েবসাইট এবং
ভিজিটরের বিষয়টি দেখা
যাক। সারা বিশ্বের ব্লগ
রয়েছে প্রায় ১৫০০ কোটি,
বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায়
দ্বিগুণ। প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে
এই সংখ্যা দ্রুতহারে বাড়ছে।
এই ভিড়ের মধ্যে আপনার ওয়েব
সাইটে অন্যদের টেনে আনার
জন্য আপনার ওয়েব সাইটে এমন
কিছু থাকতে হবে যার
আকর্ষণে প্রচুর পরিমাণ
ভিজিটর আপনার সাইটে
আসবেন। অর্থাত্ আপনার
সাইটে গুরুত্বপূর্ণ এবং
সাধারণের (বিপুল পরিমাণ
মানুষের) জন্য উপকারী তথ্য
থাকতে হবে। একটা কথা
জানিয়ে রাখা ভালো, মানুষ
পর্নোগ্রাফি জাতীয় বিষয়ে
সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখা, এ
ধরনের সাইটে কিন্তু এ ধরনের
বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন
না। কাজেই আপনার প্রথম কাজ
ভালো একটি বিষয় ঠিক করে
ভালো মানের ওয়েব সাইট
তৈরি করা। এই ধাপ অতিক্রম
না করে পরবর্তী ধাপে না
যাওয়াই ভালো। অকারণে
আপনার সাইটে হাজার
হাজার ভিজিটর আসবে না।
টার্গেট ভিজিটর ঠিক করুন
কার জন্য ওয়েব সাইট তৈরি
করবেন সেটাও আগেই ঠিক
করে নিন। ব্রিটেনে
ইন্টারনেট ব্যবহার করে শতকরা
৬০ ভাগ মানুষ, দক্ষিণ
কোরিয়ায় ৯০ ভাগ, আর
বাংলাদেশে কম্পিউটার
ব্যবহার করা মানুষের সংখ্যা
শতকরা ১ ভাগের নিচে।
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের
সংখ্যা নগণ্য। কাজেই আপনার
টার্গেট ভিজিটর কারা
সেটা আগেই ঠিক করে নিন।
বাংলাভাষীদের জন্য
ওয়েবসাইট করলে
স্বাভাবিকভাবেই আপনার
ভিজিটর কম হবে। যদি আগে
উল্লেখ করা ভদ্রলোকের মতো
লাখ ডলার আয় করতে চান
তাহলে সারা বিশ্বের
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের
কাছে যেতে হবে এবং এমন
বিষয় থাকতে হবে যেখানে
তারা আগ্রহ দেখাবেন। কোন
সাইটগুলো মানুষ বেশি ব্যবহার
করে, সেগুলোর বৈশিষ্ট্য কী
ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে
নিন। আপনার ওয়েব সাইটের
সঙ্গে মিল রেখে যেহেতু
বিজ্ঞাপন দেয়া হয় এবং সেই
অনুযায়ী পেমেন্ট দেয়া হয়
সেহেতু ওয়েব সাইটের
বিষয়টিও মাথায় রাখুন।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,
ক্রিকেটের জন্য ওয়েব সাইটে
প্রতি ক্লিকে হয়ত কয়েক সেন্ট
পাওয়া যাবে, যেখানে
অর্থনীতি বিষয়ে সাইটে
পাওয়া যাবে কয়েক ডলার।
তাই আপনি যদি বিপুল পরিমাণ
টাকা ঘরে বসে আয় করতে চান
তাহলে আপনার সেই মানের
ওয়েবসাইট পরিচালনা করতে
হবে। এই কাজকে সহজ বলতেই
পারেন, কারণ একজন কৃষকের
মতো সকাল থেকে সন্ধ্যা
পর্যন্ত হাড়ভাঙা পরিশ্রম করতে
হবে না।
আরও অনেক উপায়
আপনার যদি ওয়েবসাইট থাকে
তাহলে এ ধরনের বিজ্ঞাপন
ছাড়াও আরও অনেক ধরনের
আয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন
কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন
সরাসরি আপনার সাইটে
রাখতে পারেন টাকার
বিনিময়ে। নিউইয়র্ক টাইমসের
মতো পত্রিকাও অনলাইন
বিজ্ঞাপনের কাছে হার
মেনে বন্ধ হওয়ার মুখে। আপনি
উদ্যোগ নিয়ে এদেশে আগে
থেকেই নিজের অবস্থান ঠিক
করে নিতেই পারেন।
আবার বিজ্ঞাপনের বাইরেও
ইন্টারনেট ব্যবহার করে বহুরকম
আয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি
কোনো পণ্যের রিভিউ
লিখতে পারেন। দৈনিক একটি
করে রিভিউ লিখে মাসে
কয়েক হাজার ডলার আয় করা
সম্ভব। আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ্য
করেছেন কম্পিউটার,
ক্যামেরা অথবা গেম,
সফটওয়্যার, মুভি ইত্যাদি
বাজারে আসার আগেই
অনলাইন রিভিউ দেখা যায়।
যারা রিভিউ লেখেন তাদের
টাকা দিয়ে এ কাজ করানো
হয়। আপনি যে বিষয়ে রিভিউ
লিখতে আগ্রহী সেই বিষয়ে
অবশ্যই পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকতে
হবে এবং অবশ্যই ইংরেজিতে
দক্ষ হতে হবে (যতদিন না
বাংলাদেশে বাংলায় এর
প্রচলন হচ্ছে)। সরাসরি আপনার
পক্ষে হয়ত কোনো কোম্পানির
সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব
না। সে কারণে বহু প্রতিষ্ঠান
রয়েছে যারা এ কাজে
সহায়তা করে। তারা রিভিউ,
ডাটা এন্ট্রি, সার্ভে ইত্যাদি
কাজ সংগ্রহ করে আপনাকে
দিতে পারে। এ জন্য তাদের
কিছু ফি দিতে হয়।
ইন্টারনেটে সার্চ করলেই
এদের ঠিকানা পাবেন। তবে
তারা সত্যিকারের সার্ভিস
দেবে নাকি ফি হিসেবে
দেয়া আপনার টাকা মেরে
দেবে সেদিকে লক্ষ্য
রাখবেন। ইন্টারনেটে
ঠগবাজের কিন্তু অভাব নেই।
পিটিসি : খুব সহজ এবং খুব কঠিন
ক্লিক করলেই টাকা পাবেন,
যত ক্লিক তত টাকা এভাবেই
প্রচার করা হয় পিটিসির।
কাজটি অত্যন্ত সহজ। পিটিসি
সাইটে গিয়ে তাদের সদস্য
হবেন (বিনামূল্যে)। এরপর
তাদের নিয়ম অনুযায়ী
নির্দিষ্ট লিংকে ক্লিক
করবেন। লিংক অনুযায়ী
আপনার একাউন্টে টাকা জমা
হবে। লিংকগুলো মূলত
বিজ্ঞাপনের। যারা
বিজ্ঞাপন দিয়েছেন তাদের
উদ্দেশ্য হচ্ছে আপনি ক্লিক
করলে যে টাকা পাবেন তার
বিনিময়ে তাদের বিজ্ঞাপন
দেখবেন। এটুকু কাজ খুব সহজ। যদি
এভাবে যথেষ্ট পরিমাণ আয়
করতে চান তাহলে কঠিন বিষয়
শুরু হয়।
বেশি আয়ের শর্তগুলো জেনে
নিন। ধরুন ক্লিকসেন্সে আপনি
সদস্য হলেন। আপনি দিনে কোন
ধরনের কতগুলো ক্লিক করার
সুযোগ পাবেন বিষয়টি
অনেকগুলো শর্তের ওপর নির্ভর
করে। সাধারণভাবে আপনি ১৫
থেকে ৩০টি ক্লিক করার
সুযোগ পাবেন। এভাবে আপনার
আয় হবে বড়জোর মাসে ৫
ডলার। আপনি যদি এ ধরনের
১০টি সাইটের সদস্য হন তাহলে
সর্বোচ্চ ৫০ ডলার আয় করতে
পারেন।
যদি অন্যকে সদস্য করে দিতে
পারেন (বিনামূল্যের) তাহলে
তিনি ক্লিক করলে তার ভাগও
পাবেন। যতজনকে সদস্য করবেন
আপনার আয় তত বেশি। বাস্তবে
যদি ব্লগ/ওয়েবসাইট/ফেসবুক/
ইমেইল ইত্যাদি ব্যবহার করে
আপনি শত শত সদস্য সংগ্রহ করতে
পারেন, সেক্ষেত্রে তাদের
মাধ্যমে আয় আপনার নিজের
আয়ের বহুগুণ বেশি হবে।
কাজটি সহজ না নিশ্চয়ই।
আপনাকে জনপ্রিয় ব্লগ বা বহু
ফলোয়ারসহ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট
রাখতে হবে।
আরও কিছু উপায়
আরেকভাবে আয় বাড়ানো
যায়। আপনি টাকা দিয়ে
বিনামূল্যের সদস্য থেকে
প্রিমিয়াম সদস্যপদ নিতে
পারেন। এর ফলে
নিশ্চিতভাবে বেশি
সংখ্যায় বেশি টাকার
বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার
সুযোগ পাবেন। সেই সঙ্গে
আপনার সদস্যের মাধ্যমে যারা
সদস্য হবেন তাদের
(ক্লিকসেন্সে ৮ লেভেল
পর্যন্ত) তাদের টাকাও পাবেন।
এই কাজগুলোর সবকিছু করলে
আপনার পক্ষে পিটিসি থেকে
হাজার ডলার আয় সম্ভব।
আরেকটি সমস্যার কথাও
মাথায় রাখা ভালো। অনেক
পিটিসি সাইট অত্যন্ত
মনোলোভা বিজ্ঞাপন দেয়,
কাজ করলে আপনার
অ্যাকাউন্টে টাকা জমেছে
সেটা দেখা যায় কিন্তু সেই
টাকা পাওয়া যায় না।
কাজেই কারও সদস্য হওয়ার
আগে আপনার জেনে নেয়া
প্রয়োজন সেই সাইট
নির্ভরযোগ্য নাকি ভুয়া।
আরেকটি বড় সমস্যা,
বাংলাদেশে পেপ্যালের
মাধ্যমে টাকা পাওয়ার
ব্যবস্থা না থাকা। অনেক
পিটিসি সাইট কেবল
পেপ্যালের মাধ্যমে টাকা
দেয়। শুধু এ কারণেই আপনি
অনেক পিটিসি সাইট
ব্যবহারের সুযোগ পাবেন না।
কাজেই আপনি বলতে পারেন,
পিটিসি ব্যবহার করে
ইন্টারনেটে আয় অত্যন্ত সহজ,
আবার অত্যন্ত কঠিনও।
ফ্রিল্যান্সিং : সহজ এবং
কঠিন
ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে
ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো
কাজ নিয়ে করে দেয়া।
আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ
নেবেন এবং সেই অনুসারে
টাকা পাবেন। যেমন ডাটা
এন্ট্রি করলে পাবেন কম টাকা,
গ্রাফিক্স ডিজাইন, ফ্লাশ
এনিমেশন ইত্যাদি করলে
পাবেন বেশি টাকা, ওয়েব
ডিজাইন, প্রোগ্রামিং
কাজে আরও বেশি টাকা।
একেবারে সহজ কাজ নিয়ে
আলোচনা করা যাক। আপনি
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যবহার
করতে জানলে ডাটা এন্ট্রির
কাজ করতে পারেন। সে
হিসাবে কাজ সহজ। যেহেতু
ডলারে হিসাব করা হয়,
ঘণ্টাপ্রতি ৪ ডলার আয় করলে
দিনে ৫ ঘণ্টা হিসেবে মাসে
৫০০ ডলার আয় করতে পারেন।
কখনও কখনও আরও বেশি।
কঠিন কাজ হচ্ছে কাজ পাওয়া।
সাধারণ কাজ পাওয়া যায়
ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে।
ফ্রিল্যান্সার, ওডেস্ক,
স্ক্রিপ্টল্যান্স, গুরু ইত্যাদি
সাইটে বিনামূল্যে সদস্য হওয়া
যায়। তাদের সাইটে কাজের
বর্ণনা দেয়া আছে। আপনি
সেটা দেখে কত টাকায় কাজ
করতে চান জানাবেন। যার
কাজ তিনি আপনার যোগ্যতা
পরীক্ষা করে নিশ্চিত হবেন,
আপনি সেটা সময়মত করে
দিতে পারবেন। তিনি অনুমতি
দিলে আপনি কাজ করে
পাঠিয়ে দেবেন, কাজের
টাকা ফ্রিল্যান্সিং সাইটে
জমা হবে। আপনি সেখান
থেকে উঠিয়ে নিতে
পারবেন।
যোগাযোগের সঠিক পদ্ধতি
জানা দরকার
অনেকের জন্যই সমস্যা হচ্ছে
কাজের জন্য যোগাযোগ করা।
এ জন্য দক্ষতা প্রয়োজন। কোনো
কাজ কত টাকায় করবেন সেটা
ঠিক করা, তাদের সঙ্গে
যোগাযোগের সময় ঠিকভাবে
নিজের দক্ষতা জানানো
ইত্যাদির জন্য যথেষ্ট ধৈর্য
প্রয়োজন। বিশেষ করে নতুন
অবস্থায় যখন আপনার নামের
পাশে অভিজ্ঞতা লেখা
নেই। কিছু কাজ ঠিকভাবে
করার পর সেগুলো আপনার
পরিচিতির সঙ্গে থাকে বলে
পরবর্তীতে কাজ পাওয়া সহজ
হয়।
কাজেই ফ্রিল্যান্সিং কাজ
তুলনামূলক সহজ। দিনে কিছু সময়
ব্যয় করে আপনি যথেষ্ট পরিমাণ
টাকা উপার্জন করতে পারেন।
কিন্তু যোগাযোগের কাজটি
অনেকটাই কঠিন। এ জন্য সঠিক
পদ্ধতি জানা, সব সময় লেগে
থাকা, যোগাযোগ করার মতো
ইংরেজি জানা ইত্যাদি
প্রয়োজন হয়।
ইন্টারনেট থেকে আয়কে সহজ
বলতেই পারেন। কিন্তু যখন
ভালো ফল আশা করবেন
কিংবা চাকরির বিকল্প
হিসেবে ব্যবহার করবেন তখন
দিনের কিছু সময় ব্যয় করা যথেষ্ট
না। বাস্তবতা হচ্ছে,
ইন্টারনেটে আয়ের জন্য
চাকরির থেকেও বেশি সময়
ব্যয় করতে হয়। দিনে-রাতে সব
সময় যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়।
আপনি হয়ত লাখ টাকা
বেতনের চাকরি আশা করতে
পারেন না। ইন্টারনেটে কাজ
করে লাখ টাকা আয় করা খুবই
সম্ভব।
সাবধানতা অবলম্বন করুন
আপনি ঘরে বসে ইন্টারনেটে
টাকা আয় করবেন এ জন্য অন্যকে
টাকা দিয়ে সিডি কেনা,
সেমিনারে যোগ দেয়া
কিংবা ট্রেনিং করার
প্রয়োজন নেই। তাদের কাছে
সেটাই টাকা উপার্জনের
সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি।
ইন্টারনেট সার্চ করুন, দুনিয়ায়
এমন কোনো তথ্য নেই যা
পাবেন না। তবে যারা এই
প্রচারণাকে সামনে এনেছেন
তাদের ধন্যবাদ না জানালে
অন্যায় করা হয়। তারা এটুকু
দেখাতে পেরেছেন আমরা
কীভাবে অন্ধকার ঘরে বসে
রয়েছি। বাইরের জগত অনেক বড়
এবং আমরা সহজেই তাতে
অংশ নিতে পারি। নিজেরা
লাভবান হতে পারি। সেই
সঙ্গে সম্ভবত এটাও
দেখিয়েছেন, প্রচারণায়
অর্থলাভের বিষয় যুক্ত করে কি
ফল পাওয়া যায়।

0 comments:

5555

addd

[url="https://www.bestchange.com/?p=832073"]E-money exchanger[/url]
Powered by Blogger.

Wikipedia

Search results

Followers

ভিজিটর

GOOGLE

Pages

kkkk

Video

Popular Posts

Our Facebook Page